সাজার হার মেরেকেটে ৩ শতাংশ, শুধু মৃত্যুদণ্ডেই কি কমবে শিশুধর্ষণ?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন বিচারব্যবস্থারই এই হাল, তখন সাজা কঠিন করে হবে কী? বিচার শেষ হতে তবে তো মৃত্যুদণ্ডের প্রশ্ন। তাছাড়া অভিযুক্তদের প্রায় ৯৪ শতাংশ যখন নির্যাতিতার পরিচিত, সেক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের কথা মাথায় রেখে অভিযোগ না দায়ের করার জন্যও চাপ বাড়তে পারে শিশুর পরিবারের ওপর। 

ভারতের মতো বড় দেশে দু'একটা ধর্ষণ হবেই : কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

১৬ বছরের নীচে মেয়েদের ধর্ষণেও রয়েছে কঠোর শাস্তির বিধান। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে তাতে অনুমোদন মেলে। এরপরই জারি হয় অধ্যাদেশ।

শেষ পর্যন্ত জয় বঙ্গব্রিগেডেরই, ফের সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক পদে ইয়েচুরি

২০১৫ সালের এপ্রিলে প্রথমবারের জন্য দলের দায়িত্ব নেন সীতারাম। সাধারণ সম্পাদক পদে থাকাকালীন একাধিক নির্বাচনে ব্যাপক পরাজয় হয় বামপন্থীদের।

শিশুধর্ষণের অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের অধ্যাদেশে সই করলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ

০ থেকে ১২ বছরের শিশুদের যৌন নির্যাতন থেকে রুখতে ২০১২ সালে পকসো আইন প্রণয়ন করা হয়। বর্তমান আইন অনুযায়ী, ১২ বছরের নীচের শিশুকে ধর্ষণে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন থেকে ৭ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া আছে।