পঁচিশে বৈশাখে বাংলা ও বাঙালিকে রোহিণীর উপহার 'মনে রেখো'

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: 'আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহ দহন জাগে, তবুও শান্তি তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে…', আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরেই পঁচিশে বৈশাখ। বাঙালির মনের মণিকোঠায় এই দিনটির জন্য বিশেষ অনুভূতি তো রয়েছেই। তবে এবারের ২৫ বৈশাখ যেন অনেকটাই ফিকে। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে বঙ্গে। যা ঠেকাতে আংশিক লকডাউন জারি রয়েছে। অনেকেরই পরিজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অনেক পরিবার বিচ্ছিন্ন। এহেন পরিস্থিতিতে নেতিবাচক অনুভূতিগুলিকে দূরে সরিয়ে দিতে পারেন একমাত্র কবিগুরুই। ঝরো ঝরো মুখর বাদর দিনে, তাঁর সুরই প্রাণে জাগাতে পারে প্রেম। সেই কারণেই এ বছর পঁচিশে বৈশাখ উপলক্ষ্যে প্রখ্যাত

দেশ থেকে করোনা তাড়াতে রাখির 'অব্যর্থ নিদান'

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল গোটা দেশ। টিকাকরণের সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ভাবে কোভিড বিধি মানার উপর জোর দিতে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক থেকে প্রশাসন। সেলেবরাও এই ট্রেন্ড থেকে পিছিয়ে নেই। এই বিপদের সময়ে মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন অক্ষয় কুমার থেকে সোনু সুদ। দেশের এই অবস্থায় মন কাঁদছে রাখিরও। কিন্তু কিভাবে তিনি দেশকে সেবা করবেন?

‘বাড়াবাড়ি করবেন না প্লিজ’, মায়ের অসুস্থতা নিয়ে মুখ খুললেন অরিজিৎ নিজেই

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: যাঁরা মাকে রক্ত দেওয়ার জন্য এগিয়ে এসেছেন তাঁদের ধন্যবাদ জানালেন অরিজিৎ সিং। সঙ্গে বিশেষ বার্তা, 'প্লিজ প্রয়োজনের অতিরিক্ত করবেন না...।'গুরুতর অসুস্থ গায়ক অরিজিৎ সিং-এর মা। আপাতত তিনি দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি তিনি। তাঁর প্রয়োজন ছিল এ নেগেটিভ রক্তের। রক্তদানের আহ্বান জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন এক স্বেচ্ছাসেবী। তিনি জানিয়েছিলেন, রক্তদানে উৎসাহীরা অবিলম্বে প্রদত্ত নম্বরে যোগাযোগ করুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অরিজিৎ সিং-এর মায়ের জন্য সাহায্য চেয়েছিলেন সৃজিত, স্বস্তিকাও।<iframe src="

অসুস্থ অরিজিৎ সিংয়ের মা, সোশ্যাল মিডিয়ায় রক্তদানের আবেদন সৃজিত-স্বস্তিকার

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: গুরুতর অসুস্থ অরিজিৎ সিং-এর মা। আপাতত তিনি দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি তিনি। প্রয়োজন এ নেগেটিভ রক্তের। রক্তদানের আহ্বান জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন এক স্বেচ্ছাসেবী। তিনি জানিয়েছেন, রক্তদানে উৎসাহী রক্তদাতারা অবিলম্বে প্রদত্ত নম্বরে যোগাযোগ করুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অরিজিৎ সিং-এর মায়ের জন্য সাহায্য চেয়েছেন সৃজিত, স্বস্তিকাও।

কাজের জন্য মাথা নত করবো না : হিরণ

অন্য সময়: তাঁর টলিউড-প্রবেশ২০০৭-এ। প্রথম ছবি সুপারহিট। প্রথম পাঁচ বছর জমজমাট। তারপর থেকে টলিপাড়ায় ছন্দপতন, এমনটা মনে করেন ইন্ডাস্ট্রির মানুষ। তাই অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বিধায়ক হওয়ায় তাক লেগেছে অনেকের। তা হলে এটা কি কামব্যাক ইনিংস?