আবার আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে টোকিও অলিম্পিকে

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত কি বাতিল হয়ে যাবে টোকিও অলিম্পিক?‌ আবার আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে টোকিও অলিম্পিকের ওপর। আর এর জন্য দায়ী সেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ।করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। জাপানও পিছিয়ে নেই। ভারতের মতোই ভয়াবহ অবস্থা। সংক্রমণ এতটাই বেড়েছে যে জাপান সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। এই অবস্থাও জুলাইয়ে আদৌও অলিম্পিক আয়োজন করা সম্ভব হবে কিনা, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েচে। যদিও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থার প্রধান টমাস বাখ নির্দিষ্ট সময়ে অলিম্পিক আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদী।

করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য ২৫ এপ্রিল থেকে জরুরি অবস্থা জারি করেছে জাপান সরকার। প্রাথমিকভাবে ১৫ দিনের জন্য এই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি যেভাবে ভয়ঙ্কর অবস্থা ধারণ করছে, জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও বাড়ানোর কথা ভাবছে জাপান সরকার। টোকিও ছাড়াও হুয়োগো, ওসাকা, কিয়োতো শহরেও প্রবলভাবে বেড়ে গেছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। কীভাবে এই সংক্রমণ আটকানো যায়, তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত জাপান প্রশাসন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিদে সুগা এই নিয়ে বারবার আলোচনা করেছেন। জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানো একপ্রকার নিশ্চিত। তবে কতদিনের হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। জানা গেছে, আবার ১ মাসের জন্য মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে। এতদিন মেয়াদ বাড়ানো হয়ে অলিম্পিক আয়োজনের ব্যাপারে সমস্যায় পড়বে আয়োজক কমিটি। কারণ, প্রস্তুতির জন্য তারা যথেষ্ট সময় পাবে না। ফলে আবার নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২৩ জুলাই অলিম্পিক শুরু হওয়ার কথা। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থার প্রেসিডেন্ট টমাস বাখের মে মাসের শেষ সপ্তাহে প্রস্তুতি দেখতে জাপান যাওয়ার কথা ছিল। জরুরি অবস্থা জারি হলে বাখের জাপান সফর বাতিল হতে পারে। অলিম্পিকও বাতিল করার দাবি জোরালো হবে। ইতিমধ্যেই জাপানের জনগন অলিম্পিক আয়োজনের বিরোধিতা শুরু করেছে। অলিম্পিকে বিদেশি দর্শকদের প্রবেশের ওপর আগেই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। যদি শেষ পর্যন্ত অলিম্পিক আয়োজন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোনও দর্শককেই মাঠে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এমন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে অলিম্পিক আয়োজক কমিটি। তবে আয়োজক কমিটি ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা দাবি করছে, অলিম্পিক বাতিল করা হবে না।